ওয়েব ডেস্ক: চৈত্রেই ঠা ঠা গরম! এখনও বাকি গোটা গ্রীষ্মকাল। তখন কী হতে চলেছে সেই আভাস মিলছে। সকাল হতেই চড়া রোদ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রাণ ওষ্ঠাগত অবস্থা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে সাফ পূর্বাভাস এখনই রাজ্যে নেই বৃষ্টির পূর্বাভাস। আগামী কয়েকদিনে বাড়বে রাজ্যের তাপমাত্রা।
আর এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের চিন্তা তাদের সন্তানদের শরীর নিয়ে। এই তীব্র গরমে বাচ্চারা অসুস্থ হতে পারে, আর এই আশঙ্কা করেই এবার সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলির সময়সূচি করা হতে পারে পরিবর্তন। এমনটাই জানা যাচ্ছে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে।
ইতিমধ্যেই, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে, স্কুলের সময়সূচি পরিবর্তন করা যায় কিনা সেই বিষয় জানতে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনী দফতর নিয়ে চিন্তায় বিজেপি
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা সংসদকে জানানও হয়েছে মঙ্গলবারের মধ্যে এই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এই রিপোর্ট জমা পড়ার পর নেওয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত?
রাজ্যের অধিকাংশ প্রাথমিক সরকারি স্কুল বেলার দিকেই শুরু হয়। কিন্তু এখন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রোদে বেড়ানো দায়। তীব্র রোদে অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন পড়ুয়ারা। তাই জেলা রিপোর্ট অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বেলার বদলে স্কুলের টাইমিং যাতে সকালের দিকে করা যায়। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে আলোচনা। এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল বলেন,”বিভিন্ন জেলার ডিপিএসসি চেয়ারম্যানদের থেকে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছি। তাঁরা উত্তর দিলে আমরা স্কুল শিক্ষাদপ্তরকে তা পাঠিয়ে দেব। তারাই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। আশা করছি, মঙ্গলবারের মধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, রাজ্যে গরমের দাপট তুঙ্গে। জেলায় জেলায় আবারও তৈরি হয়েছে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। রবিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর ও পশ্চিম বর্ধমানে ফের জারি করা হয়েছে তীব্র গরমের সতর্কতা। অন্যদিকে আলিপুর আবহাওয়া দফতর আজ ‘হট ডে’ বলে উল্লেখ করেছেন। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ঘরে। আর সেই কথাকেই মাথায় রেখে এবার জেলার প্রাথমিক স্কুলগুলির সময়সীমা এগিয়ে আনার কথা ভাবা হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে।
দেখুন অন্য খবর